কিভাবে বুঝবেন কোন পেশাটিই আপনার জন্য সঠিক – Youth Carnival
Blog

কিভাবে বুঝবেন কোন পেশাটিই আপনার জন্য সঠিক

সঠিক জীবিকা নির্বাচন করা খুব কঠিন হবে যদি না আপনি কিছু নির্দেশনা নিয়ে অগ্রসর হন। কিছু পরিকল্পনা,আত্মচিন্তা,আত্মনির্ভরশীলতা ইত্যাদি আপনাকে সঠিক পথে নিয়ে যাবে এবং আপনি সহজে সফলতা পাবেন। আসুন, একে একে সেসব জেনে নেই – 

আপনার সম্পর্কে বিবেচনা করুন

১।আপনার স্বপ্ন সম্পর্কে ভাবুনঃ

আপনি কি করতে চান তা নিয়ে আপনাকে ভাবতে হবে।
যেমন আপনি যদি একজন মিউজিশিয়ান হতে চান তবে আপনাকে অবশ্যই মিউজিক সাহিত্য অথবা শব্দ প্রকৌশলী ইত্যাদি পথে অগ্রসর হতে হবে।

২।আপনার শখ বিবেচনা করুনঃ

ভবিষ্যতে আপনি যা করতে চান তা আপনার শখ থেকে নির্বাচন করুন। বিবেচনা করুন আপনি কি করতে ভালোবাসেন এবং সেটাকে আপনার জীবিকা হিসেবে নির্বাচন করুন। উদাহরণস্বরুপ, আপনার যদি আঁকা অথবা শিল্পকর্ম ভাল লাগে তবে আপনি একজন গ্রাফিক্স ডিজাইনার হতে পারেন।

৩।বিদ্যালয়ে আপনি কি করতে আনন্দ পান তা নির্বাচন করুনঃ

বিদ্যালয়ে আপনার কোন বিষয়টা পড়তে ভাল লাগে তা চিন্তা করুন। যেমন,আপনার যদি রসায়ন ভাল লাগে তবে আপনি একজন ফার্মেসিস্ট অথবা ল্যাব ট্যাকনেশিয়ান হতে নিজেকে তৈরি করুন।

আপনার দক্ষতার বিচার করুন

১।কোন বিষয়ে আপনার দক্ষতা আছে নির্বাচন করুনঃ

বিদ্যালয়ে এবং বাসায় আপনার কোন বিষয়ে আপনার দক্ষতা ভাল তা নির্বাচন করুন। ধরুণ আপনার গণিত করতে ভাল লাগে বা গণিতে আপনার দক্ষতা ভাল।তবে আপনি গণিত নিয়ে পড়তে আগ্রহী হন।

২।কিসে আপনার দক্ষতা সবচেয়ে বেশী নির্ধারণ করুনঃ

আপনি বিশেষভাবে কোন দিক দিয়ে দক্ষ তা নিশ্চিত করন। ইহা আপনাকে সঠিক জীবিকা নির্ধারণে সাহায্য করবে। উদাহরণস্বরুপ, আপনার রান্নার দক্ষতা আছে। তবে আপনি রান্নাকে আপনার জীবিকা নির্ণয় করুন।

৩।আপনার আন্তঃব্যক্তিগত দক্ষতা সম্পর্কে ভাবুনঃ

যদি আপনি অন্যদের দেখাশুনার ব্যাপারে দক্ষ হন তবে নার্সিং জীবিকা গ্রহণ করতে পারেন অথবা কোন কোম্পানির এডমিনস্ট্রেটর বা ম্যানেজার হতে পারেন।

৪।নিজে না বুঝলে অন্যের কাছে জিজ্ঞেস করুনঃ

মাঝে মাঝে আমাদের দক্ষতা খুঁজে বের করা কঠিন হয়ে উঠে। দক্ষতা বুঝতে না পারলে অন্যের সাথে কথা বলেন। যেমন আপনি আপনার পিতামাতা, শিক্ষক ,পরিবারের সদস্য বন্ধুদের কাছে সাহায্য পেতে পারেন।

আপনার বর্তমান অবস্থা বিবেচনা করুন।

১।নিজেকে খুঁজুনঃ

আপনি আপনার জীবনের জন্য কি করছেন তা খুঁজে বের করেন।সঠিক জীবিকা অর্জনের ক্ষেত্রে নিজেকে জানা খুবই প্রয়োজন।সুখী জীবিকা গঠণের ক্ষেত্রে আপনাকে নিজের সাথে বোঝাপড়ায় আসতে হবে যে আপনি কি করতে ভালোবাসেন।

২।আপনার অর্থনৈতিক অবস্থার দিকে খেয়াল দিনঃ

আপনার জীবিকা গঠনের ক্ষেত্রে অর্থ প্রত্যেক্ষ এবং পরোক্ষভাবে জড়িত। কিছু কিছু জীবিকা আছে,যা গঠন করতে অনেক টাকার প্রয়োজন হয়। যেমন,ডাক্তার। তাই অর্থের দিকে খেয়াল রেখে জীবিকা নির্ধারণ করুন।

৩।আপনার  একাডেমিক শিক্ষার দিকে নজর দেনঃ

আপনি কোন প্রতিষ্ঠান বা বাসায় কি শিক্ষা নিচ্ছেন তা বিবেচনা করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আপনি যে শিক্ষা নিচ্ছেন তা আপনার নির্বাচিত পেশা ক্ষেত্রে প্রযোজ্য কিনা বিবেচনা করবেন।

৪।বেশী তথ্য সন্ধান করুনঃ

গুলিয়ে ফেলা বিষয়গুলো আপনি ইন্টারনেট বা শিক্ষক থেকে জেনে  নিতে পারেন। তাছাড়া কোনো বিষয় সম্পর্কে অতিরিক্ত তথ্য লাগলেও এভাবে পেতে পারেন।

আপনার ভবিষ্যত নিয়ে ভাবুন।

১। এমন একটা বিষয় নির্ণয় করুন যাতে আপনি সহজে প্রবেশ করতে পারেন এবং সেই বিষয়ের ভবিষ্যৎ  নিয়ে ভাবুন।

২। বাছাইকৃত বিষয়টির পিছনে আপনার আর্থিকভাবে কত খরচ হবে তা নির্ণয় করুন এবং তার জন্য অর্থ জমা করতে থাকুন।

৩। আপনার জীবিকার স্থায়ীত্বের কথা ভাবুন। পেশার বাজারে সমাজ বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন জিনিস চায়। উদাহরণস্বরুপ, বর্তমানে বেশীর ভাগ মানুষ আইনজীবি পেশাকে বেছে নিচ্ছে এবং পড়াকালে তাদের অনেক টাকা করে ব্যয় হয়ে যায়।কারণ তারা মনে করে এই বিষয় পড়ে তারা অনেক মজুরী পাবে।কিন্তু একজন ভাল আইনজীবি হতে না পারলে তার পুরোটই ব্যর্থ।

Comments

comments

Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

To Top