ফুটবল ইতিহাসের ১০টি ঘটনা যা ভক্তদের মেনে নেওয়া কঠিন

0

ফুটবল হোক আর ক্রিকেট হোক যেকোনো খেলায় যখন কোনো ছোট দল হেরে যায় সেটি স্বাভাবিক ঘটনা বলেই মনে হয়। কিন্তু যখন কোনো বড় দল দুর্ভাগ্যক্রমে হেরে যায় তখন সেটি মেনে নেওয়া খুব কঠিন হয়ে যায়। তেমনি ফুটবলে যখন আর্জেন্টিনা কিংবা ব্রাজিল হেরে যায় তখন আমাদের দেশেই অনেক ভক্ত আত্মহত্যাও করেন। কারণ প্রিয় দলের হার কোনো ভক্তই সহজে মেনে নিতে পারেন না। ফুটবল ইতিহাসে এমন অসংখ্য ঘটনা রয়েছে যেখানে বড় বড় নামীদামি দলগুলো ছোট দলের কাছে হেরেছে কিংবা ভালো খেলেও দুর্ভাগ্যক্রমে হেরে গেছে। কিংবা শিরোপার খুব কাছে গিয়েও শিরোপা জিততে ব্যর্থ হয়েছে। এমন ১০টি ঘটনাই জানাবো আজ।

২০১৩-১৪ মৌসুমে লিভারপুলে শিরোপা খোয়ানো

১৯৯২ সালের পর ২০১৩-১৪ মৌসুমে প্রিমিয়ার লিগের শিরোপার খুব কাছে চলে এসেছিল লিভারপুল। লুইস সুয়ারেজ এবং ড্যানিয়েল স্টুরিজের অনবদ্য জুটি লিভারপুলকে শিরোপার খুব কাছে নিয়ে আসে। তাদের নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিল ম্যানচেস্টার সিটি। লিভারপুলের শেষ ৩টি ম্যাচ ছিল চেলসি, ক্রিস্টাল প্যালেস এবং নিউক্যাসেল ইউনাইটেডের বিপক্ষে। ৩ ম্যাচের ২টি ম্যাচ জয়ের ব্যাপারে একেবারে নিশ্চিত ছিল অলরেডরা। তাই শিরোপা অনেকটা নিশ্চিত ধরেই নিয়েছিল তারা।

শিরোপা হাতছাড়া করার পর হাতাশ স্টিভেন জেরার্ড এবং কোচ ব্রেন্ডন রজার্স; Source: dailymail.co.uk

কিন্তু চেলসির সাথে হার দিয়ে শুরু করার পর ক্রিস্টাল প্যালেসের সাথে ড্র করে বসে লিভারপুল। শিরোপা খোয়ানোর জন্য এটা যথেষ্ট ছিল। শেষ ম্যাচ জিতলেও ম্যানচেস্টার সিটির সাথে ২ পয়েন্ট ব্যবধানে রানার্স আপ হয় লিভারপুল। ম্যানসিটির সাথে লিভারপুলের জয় পরাজয় সমান ছিল। কিন্তু সিটির চেয়ে ১ ম্যাচ বেশি ড্র করে শিরোপা হারায় লিভারপুল।

২০১০ বিশ্বকাপে গ্রুপ পর্ব থেকে ইতালির বিদায়

২০০৬ সালের ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন ইতালির ভক্তরা ২০১০ বিশ্বকাপেও ভালো কিছু আশা করেছিল। কিন্তু ইতালিয়ান ফুটবল দল তাদের ভক্তদের পুরোপুরি হতাশ করে। ২০০৬ বিশ্বকাপ ফাইনালে ফ্রান্সকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হওয়া দল কিনা ৪ বছর পরের বিশ্বকাপে গ্রুপ পর্ব থেকেই বাদ। দক্ষিণ আফ্রিকা বিশ্বকাপে ‘এফ’ গ্রুপে পর্তুগাল, নিউজিল্যান্ড এবং স্লোভাকিয়ার সঙ্গী ছিল ইতালি।

২০১০ বিশ্বকাপে গ্রুপপর্ব থেকে বিদায় নিশ্চিত হওয়ার পরর ইতালি দল; Source: goal.com

জিয়ানলুইজি বুফন, ফ্যাবিও ক্যানভারো, আন্দ্রেয়া পিরলোর মতো তারকা ফুটবলার নিয়েও ইতালি কোনো ম্যাচে জয়ের দেখা পায়নি। ফলে গ্রুপের সর্বশেষ দল হিসেবে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নেয় ইতালি।

ইংল্যান্ডের সেরা একাদশ নিয়েও পরাজয়

ফুটবলের আবিষ্কারক ইংল্যান্ডের একমাত্র অর্জন ১৯৬৬ সালের বিশ্বকাপ। এরপর ইংরেজদের তেমন কোনো অর্জন নেই। ইংল্যান্ড ফুটবল দলে প্রতিভাবান ফুটবলারের অভাব ছিল না কিন্তু তারা বার বার চাপের মুখে ভেঙে পড়েছে। বিশেষ করে পেনাল্টির সময়ে ইংল্যান্ডের খেলোয়াড়দের উপর যেন ভূত চেপে বসে।

ডেভিড বেকহাম; Source: express.co.uk

১৯৯০ সালের পর বেশ কয়েকটি টুর্নামেন্টে ইংল্যান্ড পেনাল্টিতে হেরে যায়। ১৯৯০ বিশ্বকাপে পশ্চিম জার্মানির বিপক্ষে স্টুয়ার্ট পিয়ার্স এবং ক্রিস ওয়াডল পেনাল্টি মিস করেন। এরপর ১৯৯৬ সালে জার্মানির বিপক্ষে গুরুত্বপূর্ণ ১ ম্যাচে ইংল্যান্ডের বর্তমান কোচ সাউথগেটও পেনাল্টি মিস করেন।

এমনকি ঠান্ডা মাথার খেলোয়াড় হিসেবে পরিচিত ডেভিড বেকহামও ১৯৯৮ বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে পেনাল্টি মিস করে বসেন। ইংল্যান্ডের খেলোয়াড়দের পেনাল্টি মিস করার ধারা চলতেই থাকে। ২০০৪ ইউরোতে এবং ২০০৬ সালে বিশ্বকাপেও পর্তুগালের বিপক্ষে একইভাবে হেরে যায়। আর ২০০৮ সালের ইউরোতে তারা নাম লেখাতে ব্যর্থ হয়। ইংল্যান্ডের ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম সেরা একাদশ থাকা সত্ত্বেও ১৯৯০ তাদের অর্জন শূণ্য।

শিরোপার কাছে থেকে নিউক্যাসেলের ছিটকে যাওয়া

কেভিন কিগ্যান ১৯৯৫-৯৬ মৌসুমে নিউক্যাসেল ইউনাইটেডকে দ্বিতীয় বিভাগ থেকে প্রিমিয়ার লিগে তুলে আনেন। কেভিন কিগ্যান শুধুমাত্র নিউক্যাসেলকে দ্বিতীয় বিভাগ থেকে প্রথম বিভাগে তুলে আনেননি, সেই সাথে তিনি তার দলকে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে নিয়ে যান।

নিউক্যাসেলের এই স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন; Source: fourfourtwo.com

প্রিমিয়ার লিগে যখন দ্বিতীয় পর্ব শুরু হয় নিউক্যাসেল ইউনাইটেড তখন তাদের নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ম্যানইউয়ের চেয়ে ১২ পয়েন্ট এগিয়ে। ১৯২৬-২৭ মৌসুমের পর আরও একবার নিউক্যাসেলের ভক্তরা শিরোপার স্বপ্ন বুনছিলেন। কিন্তু ফেব্রুয়ারির শেষে তাদের ১২ পয়েন্টের লিড কমে দাঁড়ায় ৮ পয়েন্টে। মার্চে নিউক্যাসেল যখন ম্যানইউয়ের কাছে ১-০ গোলে হেরে যায় তখন পয়েন্টের ব্যবধান কমে এসে দাঁড়ায় মাত্র ১ এ! মার্চের শেষে নিউক্যাসেলকে টপকে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ৩ পয়েন্ট এগিয়ে যায়। এরপর লিগের সর্বশেষ ২টি ম্যাচ ড্র করে তারা শিরোপার স্বপ্ন জলাঞ্জলি দেয়। পয়েন্ট টেবিলে দ্বিতীয় অবস্থানে থেকে লিগ শেষ করে।

রিয়াল মাদ্রিদের তীরে এসে তরী ডোবানো

২০০৩-০৪ মৌসুমে রিয়াল মাদ্রিদের ছিল বিশ্বসেরা আক্রমণভাগ। রোনালদো, ফিগোদের নিয়ে গড়া সেই আক্রমণভাগে যোগ দেন ইংলিশ সুপারস্টার ডেভিড বেকহাম। রিয়াল মাদ্রিদ তাদের ৩০তম লা লিগা শিরোপা জয়ের পথেই ছিল। কিন্তু লিগ শেষ করতে তাদের যখন ১২ ম্যাচ বাকি তখনই ভূত চেপে বসলো। রিয়াল মাদ্রিদ তাদের নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দেপোর্তিভো লা করুনার চেয়ে ৮ পয়েন্ট এগিয়ে ছিল। কিন্তু মার্চের শুরুতে পরপর ২ ম্যাচ ড্র করার কারণে সেই পয়েন্ট ব্যবধান এসে দাঁড়ায় মাত্র ৩ এ! এরপর মার্চের শেষে এবং এপ্রিলের শুরুতে রিয়াল মাদ্রিদ পরপর ২ ম্যাচ জিতে নেয়।

২০০৩-০৪ মৌসুমের রিয়াল মাদ্রিদ দল; Source: tarafdari.com

কিন্তু এরপরই যেন সব উলট-পালট হয়ে যায়। রিয়াল মাদ্রিদ তাদের সর্বশেষ ৮ ম্যাচের মধ্যে ৭ ম্যাচেই হেরে যায়। রাউল গঞ্জালেস, রোনালদো , ফিগো, রবার্তো কার্লোস এবং বেকহামদের মতো তারকাদের নিয়ে গড়া রিয়াল মাদ্রিদ শুধু শিরোপা হাতছাড়া করেনি, সেই সাথে তারা লিগ শেষ করে চতুর্থ অবস্থানে গিয়ে। ২০০৩-০৪ মৌসুমের লা লিগা শিরোপা জিতে নেয় ভ্যালেন্সিয়া।

জন টেরির পেনাল্টি মিস

২০০৮ সালে চ্যাম্পিয়ন্স লিগে সর্বশেষ অল ইংলিশ ফাইনাল হয়েছে। দুই ইংলিশ জায়ান্ট ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড এবং চেলসি ফাইনালে মুখোমুখি হয় মস্কোতে। নির্ধারিত সময় এবং অতিরিক্ত সময়ে ১-১ গোলে সমতা থাকার কারণে ম্যাচ গড়ায় পেনাল্টিতে। দ্রিদিয়ের দ্রগবা লাল কার্ড পাওয়ার কারণে তাকে ছাড়াই পেনাল্টিতে যেতে হয় চেলসিকে। পেনাল্টিতে শ্যূটআউটে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের পক্ষে তৃতীয় শটে গোল করতে ব্যর্থ হোন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো।

জন টেরি এভাবেই পেনাল্টি মারতে গিয়ে পড়ে যান; Source: zimbio.com

অন্যদিকে চেলসি ৪ শটে ৪টি গোল করেন। জন টেরি যখন চেলসির পক্ষে ৫ম পেনাল্টি শট নিতে আসেন তখন চেলসির ভক্তরা শিরোপা জয়ের উৎসব শুরু করে দেন। কিন্তু দুর্ভাগ্যক্রমে জন টেরি শট নেওয়ার সময় স্লিপ করে পড়ে যান এবং তার শট বারে লেগে ফিরে আসে। পরবর্তীতে নিকোলাস আনেলকার শট ইউনাইটেড গোলরক্ষক এডউইন ভ্যান ডার সার ঠেকিয়ে দিলে ম্যানইউ ৬-৫ ব্যবধানে পেনাল্টি শ্যুট আউট জিতে চ্যাম্পিয়ন্স লিগ শিরোপা ঘরে তোলে। ৪ বছর পর জন টেরি চেলসির হয়ে চ্যাম্পিয়নস লিগ জিতলেও সেই দুঃসহ স্মৃতি তিনি কখনোই ভুলতে পারবেন না।

১৯৫৪ বিশ্বকাপ ফাইনালে হাঙ্গেরির পরাজয়

ফুটবলের বর্তমানে যুগে হাঙ্গেরিকে নিয়ে কেউ আলোচনা না করলেও তারা একসময় বিশ্বের অন্যতম সেরা ১টি দল ছিল। বিশেষ করে গত শতাব্দীর ‘৫০ দশক এবং ‘৬০ দশকে তারা ছিল এক অনবদ্য ফুটবল দল। টানা ৫ বছর অপরাজিত থেকে ১৯৫৪ সালে হাঙ্গেরি বিশ্বকাপ ফুটবলে অংশগ্রহণ করে। দাপটের সাথে তারা ফাইনালে উঠে।

১৯৫৪ বিশ্বকাপে হাঙ্গেরি দল; Source: talksport.com

ফাইনালে তাদের প্রতিপক্ষ ছিল পশ্চিম জার্মানি। গ্রুপ পর্বে পশ্চিম জার্মানিকে হাঙ্গেরি ৮-৩ গোলে পরাজিত করে। কিন্তু ফাইনালে ফলাফল ভিন্ন হয়ে যায়। বিশ্বকাপ ফাইনালে শেষ বাঁশি বাজার ৬ মিনিট পূর্বে জার্মানি তৃতীয় গোল করে ৩-২ ব্যবধানে বিশ্বকাপ জিতে নেয়। পরবর্তী হাঙ্গেরির পরাজয়ের জন্য কেউ কেউ সেদিনের বৃষ্টিকে দায়ী করেন, আবার কেউ কেউ অভিযোগ করেন জার্মানরা শক্তিবর্ধক কোনো ড্রাগস নিয়েছিলেন। যাই ঘটুক না কেন, ইতিহাস বিজয়ী দলকেই স্মরণ করবে বার বার।

দেশের হয়ে লিওনেল মেসির ব্যর্থতা

একটি শিরোপা জয় করতে পারলেই ফুটবল ইতিহাসে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ ফুটবলারের খেতাব পাবেন। কিন্তু তিনি টানা ৩ বার শিরোপার খু্ব কাছে গিয়েও শিরোপা ছুঁয়ে দেখতে পারেননি। তিনি আর কেউ নন, তিনি ফুটবল ‘জাদুকর’ লিওনেল মেসি। ক্লাব ফুটবলে তিনি সব জয় করেছেন। কিন্তু দেশের হয়ে অর্জনের খাতা পুরোপুরি শূন্য। অলিম্পিকে স্বর্ণপদক ছাড়া বলার মতো আর কিছুই জয় করতে পারেননি। টানা ৩ বার বড় ৩টি টুর্নামেন্টে ফাইনালে উঠেও শিরোপার স্বাদ পাননি।

পেনাল্টি মিসের পর লিওনেল মেসি; Source: cbssports.com

২০১৪ সালে বিশ্বকাপ ফাইনালে জার্মানির কাছে পরাজয়, এরপর ২০১৫ এবং ২০১৬ সালে কোপা আমেরিকার ফাইনালে চিলির কাছে হার। বার বার শিরোপার খুব গিয়েও ব্যর্থ হতে হয়েছে লিওনেল মেসিকে। ক্লাবের হয়ে দারুণ সফল লিওনেল মেসি কিন্তু দেশের হয়ে তিনি পুরোপুরি ‘চোকার’।

২০০৫ সালে চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ফাইনালে এসি মিলানের হার

বর্তমানে এসি মিলান শক্তিশালী প্রতিপক্ষ না হলেও তাদের রয়েছে গৌরবময় ইতিহাস। এসি মিলান ৭ বার চ্যাম্পিয়ন্স লিগের শিরোপা জয়ের গৌরব অর্জন করেছে। ২০০৪-০৫ মৌসুমে দুর্ভাগ্যক্রমে না হারলে তাদের শিরোপার সংখ্যা হতো ৮। ২০০৫ সালে চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ফাইনালে এসি মিলানের প্রতিপক্ষ ছিল ইংলিশ জায়ান্ট লিভারপুল। প্রথমার্ধ ৩ গোলে এগিয়ে থেকে শেষ করে এসি মিলান। মিলানের খেলোয়াড়রা ভেবেছিল ৩ গোল যথেষ্ট।

শিরোপা জয়ের পর লিভারপুলের উৎসব; Source: propaganda.photoshelter.com

তাদের মধ্যে গা ছাড়া ভাব দেখা যায়। কিন্তু লিভারপুল ঘুরে দাঁড়ায়। মাত্র ৬ মিনিটে লিভারপুর ৩ গোল পরিশোধ করে। সবশেষে ম্যাচ গড়ায় পেনাল্টিতে। এসি মিলানের আন্দ্রি শেভেনঙ্কো, আলেসান্দ্রো পিরলো এবং সার্গিনহো পেলান্টি মিস করেন। এসি মিলান ফাইনালে ফেবারিট থাকলেও শেষ পর্যন্ত লিভারপুলের কাছে হেরে যায়। শক্তিশালী এসি মিলানকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের শিরোপা জিতে নেয় লিভারপুল।

মারাকানাজো

১৯৫০ সালের বিশ্বকাপ ফুটবল আয়োজন করে ব্রাজিল। প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপ আয়োজনের আনন্দের ঢেউ ছড়িয়ে পড়ে সারা ব্রাজিলে। আয়োজক হিসেবে বিশ্বকাপ জয়ের প্রত্যাশাও ছিল ব্রাজিলিয়ানদের। অলিখিত ফাইনাল ম্যাচে মুখোমুখি হয় দক্ষিণ আমেরিকার দুই দেশ ব্রাজিল আর উরুগুয়ে। ম্যাচটা ড্র করলেই বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হতো ব্রাজিল। ১ লাখ ৭৫ হাজার দর্শক উপস্থিত হয় সেদিনের ম্যাচে।

ঘিঘিয়ার এই গোলেই সৃষ্টি হয় ‘মারাকানাজো’; Source: fifa.com

মারাকানা স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত সেই ম্যাচ ১-১ গোলে সমতাই প্রায় শেষ পর্যন্ত। কিন্তু শেষ মুহুর্তে ঘিঘিয়ার গোলে ২-১ গোলের জয় তুলে নেয় উরুগুয়ে। বিশ্বচ্যাম্পিয়নের মুকুট পড়ে উরুগুয়ে। অন্যদিকে হতাশায় নিমজ্জিত ব্রাজিলিয়ানরা আত্মহত্যার মতো ঘটনা ঘটায়। মারাকানা স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত সেই ম্যাচ পরববর্তীতে মারাকানাজো নামে পরিচিতি পায়।

Featured Image: worldfootball.net

 

SOURCE:GLAM.WORLD

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *